নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তকে ‘লজ্জাজনক’ হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে নরওয়ের গায়ে এক অমোচনীয় কলঙ্ক লেগে গেল।
নোবেল ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ট্রাম্প। কোনো রাখঢাক না রেখে তার মত করেই বিষোদ্গার করেন তিনি।
এদিকে শুক্রবার নিউ ইয়র্কের সিরাকিউসে এক নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় নোবেল বিজয়ী নাভি পিল্লাইকে স্রেফ একজন ‘অচেনা মুখ’ হিসেবে উড়িয়ে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তিনি বলেন, “আমি এই ব্যক্তির নাম আগে কখনোই শুনিনি। কেউই শোনেনি।”
রয়টার্স লিখেছে, নিজের মেয়াদে প্রতি বছরই নোবেল পুরস্কার না পাওয়ার হতাশা প্রকাশ করে আসছেন ট্রাম্প। এবারও নিজেকে সামলাতে পারেননি।
হতাশা উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “নরওয়ের ওপর এবং যারা এমন এক লজ্জাজনক ও অপমানজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের গায়ে এটি একটি অমোচনীয় কলঙ্ক হয়ে থাকবে।”
বক্তব্যে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই একাধিক আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসনে নিজের ভূমিকা ছিল বলে দাবি করেন ট্রাম্প।
তিনি বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও উত্তর কোরিয়া এবং চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়া ঠেকিয়েছেন তিনি।
নরওয়েকে সরাসরি সতর্ক করে ট্রাম্প বলেন, “গণতন্ত্রবিরোধী ও সভ্যতার আসল শত্রু একদল চরমপন্থি মতাদর্শীর কারণে নোবেল শান্তি পুরস্কার চিরতরে তার মর্যাদা হারিয়েছে। আর নরওয়েকে বলছি, আমরা কিন্তু এই ঘটনা ভুলব না।”
