back to top
Tuesday, October 20, 2026

প্রধান উপদেষ্টার কাছে সামুদ্রিক মাছ ও ইকোসিস্টেম গবেষণা জরিপ পেশ

| ০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৮:৪০
সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেমের ওপর গবেষণা জাহাজ আর. ভি. ড. ফ্রিডটিয়ফ নানসেনের করা জরিপ ও গবেষণা প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কমিটি।মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সংক্রান্ত সভা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস-এর অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী ও মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

গত বছরের ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ জরিপ চালানো হয়।

আট দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানী এ জরিপ পরিচালনা করেন, যাদের মধ্যে ১৩ জন বাংলাদেশি।অধ্যাপক সায়েদুর রহমান সভায় গবেষণা-সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, গবেষণায় নতুন ৬৫ প্রজাতির জলজ প্রাণির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের আধিক্য মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেছে।

এটা ইমব্যালেন্সের লক্ষণ। ওভারফিশিংয়ের কারণে এটি হয়েছে।এ ছাড়া দুই হাজার মিটার গভীরতায়ও প্লাস্টিক পাওয়া গেছে, যা গভীর উদ্বেগের বলে জানান তিনি।

২০১৮ সালের এক গবেষণার সঙ্গে তুলনায় দেখা গেছে, গভীর সমুদ্রে বড় বড় মাছ কমে যাচ্ছে।

স্বল্প গভীরে সমুদ্রে আশঙ্কাজনকভাবে মাছ কমছে।

 

জানা গেছে, ২৭০ থেকে ২৮০টি বড় ফিশিং ট্রলার গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করে থাকে। এর মধ্যে ৭০টি সোনারের মাধ্যমে টার্গেটেড ফিশিং করছে। এটি অত্যন্ত আগ্রাসী একটি পদ্ধতি। এর ফলে গভীর সমুদ্রে বড় মাছ যারা ধরেন, তাদের লাভ হলেও যারা স্বল্প গভীর পানিতে মাছ ধরেন তারা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ