back to top
Tuesday, July 21, 2026

শিশু মুনতাসির বাঁচতে চায় ,ছয় অস্ত্রোপাচারের পরও থামেনি নিঃস্ব বাবার লড়াই

 ফটিকছড়ি প্রতিনিধি | ২০ জুলাই, ২০২৬ ১০:২৫

জন্মের পর পৃথিবীটাকে ঠিকমতো দেখার আগেই শুরু হয়েছিল তার জীবনযুদ্ধ। অন্য শিশুরা যখন হাসতে শিখেছে, খেলতে শিখেছে, তখন ছোট্ট মুনতাসিরের শৈশব কেটেছে হাসপাতালের বিছানায়, অস্ত্রোপচারের কক্ষে আর চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুল্লাহ মুন্সির বাড়ির আট বছরের শিশু মোহাম্মদ মুনতাসির জন্ম থেকেই হাইড্রোকেফালাস (মস্তিষ্কে পানি জমা) রোগে আক্রান্ত। গত আট বছরে তাকে ছয়বার অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসার এই দীর্ঘ পথ এখনো শেষ হয়নি। একের পর এক অস্ত্রোপচার, ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা আর হাসপাতালের খরচ মেটাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি। জীবন যুদ্ধে হারা না মানা বাবা আকরাম খান মানিক সন্তানের জীবন বাঁচাতে নিজের সঞ্চয় শেষ করেছেন, করেছেন অঢেল ধার-দেনাও। এখন চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য প্রায় ফুরিয়ে এসেছে তার। অসহায় আকরাম খান মানিক বলেন, আমার একমাত্র ছেলেটাকে বাঁচাতে আপনাদের দোয়া আর একটু সহযোগিতা চাই। আপনাদের সামান্য সাহায্যই হয়তো আমার সন্তানের নতুন জীবনের আশা হয়ে উঠবে। জীবন যুদ্ধে আমি আর পারছি না। ধনাঢ্যরা এগিয়ে এলেই আমার কলিজার ধনকে বাঁচানো সম্ভব।

মুনতাসিরের চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. এম কামাল উদ্দিন জানিয়েছেন, ‘শিশুটি হাইড্রোকেফালাস (মস্তিষ্কে পানি জমা) রোগে আক্রান্ত। তাকে বাঁচাতে হলে উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। ইতিমধ্যে তার ছয়টি অস্ত্রোপাচার হয়েছে। আরোও লাগবে। এতে প্রচুর সময় ও অর্থের প্রয়োজন।’ মুনতাসিরের স্বপ্নও খুব সাধারণ। সুস্থ হয়ে অন্য শিশুদের মতো স্কুলে যাবে, বন্ধুদের সঙ্গে খেলবে, হাসবে। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের পথে সবচেয়ে বড় বাধা এখন চিকিৎসার ব্যয়। মানুষ মানুষের জন্য। এই বিশ্বাস নিয়েই পরিবারটি সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। আপনার সামান্য সহায়তাও হয়তো একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন বাঁচানোর কারণ হতে পারে। সহযোগিতার জন্য বাবা আকরাম খান মানিক ধনাঢ্যদের কাছে দু’হাত জোর করে হাত পেঁতেছেন।

পারসোনাল বিকাশ নম্বর: ০১৮৮৮৩৩০৩৫৮ আসুন, আমরা সবাই মুনতাসিরের জন্য দোয়া করি। আর যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, তা দিয়ে এই ছোট্ট প্রাণটির পাশে দাঁড়াই। কারণ একটি শিশুর হাসি ফিরে আসা মানেই একটি পরিবারের পৃথিবী আবার আলোকিত হয়ে ওঠা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ