নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কতটা এগিয়েছে, কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং জনগণ কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে—এসব তথ্য গণমাধ্যমের মাধ্যমে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বক্তারা। তাঁদের মতে, স্থানীয় সাংবাদিকেরা মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মানুষের সমস্যা ও প্রত্যাশা পৌঁছানো সহজ হয়। ২৯,সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার খাগড়াছড়ির গুইমারায় ‘সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

গুইমারা উপজেলা প্রশাসন ও রামগড় তথ্য অফিস যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে। চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা বাপ্পী চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিসকাতুল তামান্না। সভা সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিসের তথ্য কর্মকর্তা জি এম সাইফুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন রামগড় তথ্য অফিসের তথ্য কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম। সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাপ্পী চক্রবর্তী। তিনি নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা, মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ এবং জনগণের সঙ্গে সরকারের কার্যকর যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। আলোচনায় সাংবাদিক শ্যামল রুদ্র, নিজাম উদ্দিন লাভলু, মোশাররফ হোসেন, জসিম উদ্দিন জয়নাল, আবদুল আলী, মীর বাবলু, সাইফুল ইসলাম ও মুজিবুর রহমান ভূঁইয়া প্রমুখ অংশ নেন।

সাংবাদিকেরা বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে সাংবাদিকেরা নিয়মিত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। ফলে উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, বাস্তবায়নের সমস্যা, জনভোগান্তি ও স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশার তথ্য তাঁদের প্রতিবেদনে উঠে আসে। এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছালে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হতে পারে।
সভায় সরকারি দপ্তর ও গণমাধ্যমের মধ্যে নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়। মতবিনিময় সভায় রামগড়, গুইমারা ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
