চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) অস্থায়ী কর্মচারীদের মধ্যে ২০০ জন চালকের চাকরি স্থায়ী করার ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি টাইগারপাস নগর ভবনের সামনে এই ঘোষণা দিয়ে বলেন, যাদের অস্থায়ী চাকরির বয়স ১০ বছর পার হয়েছে তাদের মধ্যে ২০০ জনের চাকরি স্থায়ী করা হবে।
২০০ চালকের চাকরি স্থায়ী করার পরও দেড়শত চালকের চাকরি রয়েছে অস্থায়ী ভিত্তিতে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, অন্যদেরকে ক্রমান্বয়ে স্থায়ী করা হবে।
এদিকে, চাকরি স্থায়ী করার ঘোষণায় অনেকে খুশিতে কান্না করে ফেলেন। আবার যাদের চাকরির বয়সসীমা শেষদিকে অর্থাৎ মাত্র দুই থেকে তিনবছর, তাদের মধ্যে নেমে আসে হতাশা।
জানতে চাইলে এক চালক নাম প্রকাশ না করে বলেন, ৩০ বছর অস্থায়ী ভিত্তিতে চাকরি করলাম। আর মাত্র দুইবছর চাকরি আছে। নিয়ম অনুযায়ী চাকরি স্থায়ী না হলেও আমি ৫ লাখ টাকা পাব, পোষ্য কোটায় আমার সন্তানের চাকরি হবে। আমি দুটোই হারালাম।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে অস্থায়ী কর্মাচারীর সংখ্যা প্রায় ছয় হাজার। ইতিপূর্বে জনবল কাঠামোর অনুমোদন না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ী করা যায়নি। সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সময়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় থেকে তিনি নতুন জনবল কাঠামো অনুমোদন করে আনেন। এরপর থেকে কর্মচারীদের পর্যায়ক্রমে স্থায়ীকরণ কাজ শুরু হয়। চসিকে নতুন মেয়র আসলেই বিভিন্ন সেক্টরে লোকবল নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনার বাইরেও অনেক সময় নানা পক্ষের অনুরোধ থাকে। কিন্তু এসব অস্থায়ী কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ী হতে দীর্ঘ বছর লেগে যায়। নতুন জনবল কাঠামো অনুমোদন হবার আগে অনেককে অস্থায়ীভাবেই চাকরিজীবন শেষ করতে হয়েছে।
