back to top
Saturday, September 5, 2026

ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে ১০০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি সই করেছে সরকার

বশির আল মামুন, চট্টগ্রাম: | ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:৩২

চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অপরিশোধিত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণে অর্থায়ন দেওয়া হবে জানিয়েছেন ইললামী উন্নয়ন ব্যাংক। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির ওপর দেশের নির্ভরতা কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের (আইএসডিবি) সঙ্গে ১০০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি সই করেছে সরকার। বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আইএসডিবি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ড. মুহাম্মদ আল জাসেরের উপস্থিতিতে এ চুক্তি সই হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানান।

চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অপরিশোধিত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণে এ অর্থায়ন দেওয়া হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির ওপর দেশের নির্ভরতা কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আলোচনায় থাকা ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণ প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে বিলম্বিত হচ্ছে। দ্বিতীয় ইউনিট চালু হলে দেশের অভ্যন্তরীণ তেল পরিশোধন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একই সঙ্গে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয়ও কমবে।

২ থেকে ৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফরের অংশ হিসেবে আইএসডিবি প্রেসিডেন্ট ড. মুহাম্মদ আল জাসেরের সফরকালে চুক্তি সই হলো। উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে এবং সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে গতকাল (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় আসেন তিনি।

আজারবাইজানের বাকুতে গত জুনে অনুষ্ঠিত আইএসডিবির নির্বাহী পরিচালনা পর্ষদের ৩৬৭তম সভায় ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে ১০০ কোটি ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন দেওয়া হয়।

১৯৬৮ সালে চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা প্রথম করা হয় ২০১০ সালে। তবে অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন নিয়ে নানা জটিলতায় প্রকল্পটি বারবার পিছিয়েছে।

বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ তেল পরিশোধন সক্ষমতা বাড়ানো, পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে প্রকল্পটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ