চট্টগ্রাম টায়ার-টিউব ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স গ্রুপের নেতারা আশঙ্কা করছেন যে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে যানবাহনের টায়ারের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির কারণে টায়ারের দাম ১৫-৩০ শতাংশ বাড়তে পারে। রবিবার (২১ জুন) বিকেলে আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এই দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাজেটে টায়ারের (এইচএস কোড ৪০১১.২০.১০) ওপর কাস্টমস ডিউটি ও রেগুলেটরি ডিউটি বৃদ্ধির ফলে করের বোঝা ৬৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯৬ শতাংশ হয়েছে। এই আকস্মিক ও উচ্চ শুল্ক বৃদ্ধি দেশের পরিবহন, কৃষি, শিল্প, নির্মাণ এবং বাণিজ্য খাতে বহুমুখী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
দেশের বাণিজ্যিক যানবাহন, ট্রাক, বাস, ট্রেলার, পিকআপ এবং হালকা বাণিজ্যিক যানবাহনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবহৃত টায়ারের একটি বড় অংশ এখনও আমদানিনির্ভর। এইচএস কোড ৪০১১.২০.১০-এর অধীনে থাকা ৮৮-৯২ শতাংশ টায়ার আমদানিনির্ভর।
নতুন শুল্ক কাঠামো টায়ার আমদানির খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেবে এবং টায়ারের দাম ১৫-৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক সংগঠন, পরিবহন খাত এবং অংশীজনদের সাথে আলোচনার পর একটি বাস্তবসম্মত সমাধান নির্ধারণ, রাজস্ব আদায় ও বাজার স্থিতিশীলতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং পরিবহন খরচ ও মুদ্রাস্ফীতির সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়নের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
চট্টগ্রাম টায়ার-টিউব ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স গ্রুপের সভাপতি মইন উদ্দিন আহমেদ মিন্টু, সহ-সভাপতি মো. মোক্তার হোসেন ও মো. সানাউল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দি টায়ার এজেন্সিসের স্বত্বাধিকারী সাইফুদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সমাওয়াত হোসেন রিপন, অর্থ সম্পাদক আবদুল ওয়াহিদ চৌধুরী, অফিস সম্পাদক আরিফুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার অ্যান্ড ফ্ল্যাটবেড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরশেদ হোসেন নিজামী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, আন্তঃজেলা পণ্য পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বন্দর সম্পাদক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান সুমন, ঈগল ট্রান্সপোর্টের আখতার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন
